• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের আনোয়ারায় সবুজ অবকাঠামো নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান আফরোজা আব্বাস স্থানীয় সরকার নির্বাচন সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে: সংসদে মির্জা ফখরুল আদাবর থানার ওসিকে কোপাল ছিনতাইকারীরা, গুলি চালাল পুলিশ অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে মোশাররফ-জুঁই, আসলে যা ঘটেছিল কলকাতায় হত্যা মামলায় জামিন, কারামুক্তির পথে আবুল বারকাত শিশুর মৃত্যু ঘিরে রণক্ষেত্র আদিতমারী, পুলিশ-সন্ত্রাসী সংঘর্ষে আহত ৩০ ১০ জেলায় সম্প্রসারিত হচ্ছে রেল সেবা: রেলমন্ত্রী পদ্মা সেতুর নিচ থেকে মাটি সরানো বন্ধ, গাছ লাগানো হবে: সেতুমন্ত্রী

এআই যুগে ‘কলেজ ড্রপআউট’ কি সত্যিই সাফল্যের শর্টকাট?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    ১ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:১৬ পি.এম.
এআই-নির্ভর স্টার্টআপ দুনিয়ায় ড্রপআউট হওয়ার প্রবণতা-ছবি: সংগৃহীত

এক সময় ডিগ্রি ছিল সাফল্যের প্রধান চাবিকাঠি। ভালো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করলেই ভবিষ্যৎ নিরাপদ-এমন বিশ্বাসই ছিল সমাজে প্রতিষ্ঠিত। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের যুগে এসে সেই ধারণা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ দুনিয়ায় ‘কলেজ ড্রপআউট’ শব্দটি এখন অনেকের কাছে ব্যর্থতার নয়, বরং সাহসী পরিচয়ের প্রতীক হয়ে উঠছে।

স্টিভ জবস, বিল গেটস ও মার্ক জুকারবার্গের মতো নামগুলো এই ধারণাকে আরও শক্ত করেছে। তারা কেউই কলেজ শেষ করেননি, অথচ গড়ে তুলেছেন বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান। এই উদাহরণগুলো তরুণ উদ্যোক্তাদের অনুপ্রাণিত করছে বড় ঝুঁকি নিতে।

তবে বাস্তবতার চিত্র এতটা সরল নয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, অধিকাংশ সফল স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠাতারই স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি রয়েছে। এআই খাতের শীর্ষ উদ্যোক্তাদের অনেকেই নামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট। যেমন কার্সরের সিইও মাইকেল ট্রুয়েল এমআইটি থেকে পাশ করেছেন, আর কগনিশনের সহপ্রতিষ্ঠাতা স্কট উ হার্ভার্ডের গ্র্যাজুয়েট।

তারপরও তরুণদের মধ্যে এক ধরনের তাড়া কাজ করছে-ফোমো বা ‘মিস হয়ে যাওয়ার ভয়’। অনেকে মনে করছেন, ডিগ্রি শেষ করতে গেলে এআই বিপ্লবের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়টা হাতছাড়া হয়ে যাবে। এই ভাবনা থেকেই কেউ কেউ মাঝপথে পড়াশোনা ছেড়ে স্টার্টআপে ঝাঁপিয়ে পড়ছেন।

ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্টদের মধ্যেও এ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। মক্সি ভেঞ্চার্সের কেটি জ্যাকবস স্ট্যান্টনের মতে, ড্রপআউট হওয়াটা এখন একধরনের ‘ক্রেডেনশিয়াল’, যা উদ্যোক্তার ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতা ও আত্মবিশ্বাসকে তুলে ধরে। বিপরীতে জেনারেল ক্যাটালিস্টের ইউরি সাগালভ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আসল মূল্য ডিগ্রিতে নয়, বরং নেটওয়ার্ক ও পরিচয়ে।

অন্যদিকে এফপিভি ভেঞ্চার্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা ওয়েসলি চ্যান তরুণ ড্রপআউটদের বিষয়ে সতর্ক। তার মতে, প্রজ্ঞা আসে সময়, অভিজ্ঞতা ও ব্যর্থতা থেকে-যা একদিনে অর্জন সম্ভব নয়।   

সব মিলিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়-ডিগ্রি কি সত্যিই অপ্রয়োজনীয় হয়ে গেছে? নাকি এটি কেবল একটি সাময়িক ট্রেন্ড? এআই যুগে নিয়ম বদলালেও পথ একটাই নয়। ড্রপআউট হওয়া যেমন সাফল্যের গ্যারান্টি নয়, তেমনি ডিগ্রি থাকলেই পিছিয়ে পড়তে হবে-এমনটাও সত্য নয়। বাস্তবে প্রয়োজন ভারসাম্য, সচেতন সিদ্ধান্ত এবং নিজের সক্ষমতা ও লক্ষ্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা।

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
খামেনির স্বাক্ষর ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা!
খামেনির স্বাক্ষর ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা!
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি হয়ে গেছে, দাবি ট্রাম্পের
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি হয়ে গেছে, দাবি ট্রাম্পের
আমেরিকায় বিমান বিধ্বস্ত, দুর্ঘটনা নাকি অন্য খেলা!
আমেরিকায় বিমান বিধ্বস্ত, দুর্ঘটনা নাকি অন্য খেলা!