• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
টপ নিউজ
ঢাকার বাসাবো এলাকায় অভিযান: ৬৫০ লিটার ডিজেল জব্দ ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করার সম্ভাবনা বাড়ছে দেশব্যাপী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ঢাকাসহ ১৩ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের সতর্কবার্তা ইরানকে কড়া হুশিয়ারি, বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংসের ইঙ্গিত ট্রাম্পের জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ উজাড় করে খেলতে চাই: সাকিব আল হাসান রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা নিয়ে ভোটাভুটি হয় সেনাবাহিনীর ভেতরে চিকিৎসার জন্য সস্ত্রীক সিঙ্গাপুর গেলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সারাদেশে অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ লিটার অবৈধ তেল উদ্ধার কাউন্সিলর না থাকায় ওয়ার্ড সচিবদের তৎপর হতে বললেন ডিএসসিসি প্রশাসক

কোটি টাকার দুর্নীতিতে অভিযুক্ত সাদিক জনকল্যাণ সমিতির পরিচালক

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি    ২৮ অক্টোবর ২০২৫, ১২:৫০ পি.এম.
পরিচালক আব্দুল হামিদ। ছবি: ভিওডি বাংলা

সাতক্ষীরায় জজ কোট ও রেজিস্ট্রি অফিসকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এনজিও ‘সাদিক জনকল্যাণ সমিতি’ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে অফিসে তালা ঝুলিয়ে উধাও হয়ে গেছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আব্দুল হামিদ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা রয়েছেন পলাতক।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মূল হোতা আব্দুল হামিদ সাতক্ষীরায় দেবহাটা উপজেলার আতাপুর গ্রামের মৃত মাদার ঢালির ছেলে।

সাতক্ষীরা জজ কোর্ট সংলগ্ন এড. রেশমা খাতুনের বাসাবাড়ির নিচতলায় অফিস ভাড়া নিয়ে শুরু হয় এই প্রতারণার ফাঁদ।  অফিসে ব্যাংকের মতোই রেকর্ডবুক, প্যাড, চেকবই ও সঞ্চয়পত্র সাজিয়ে সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলে কোটি টাকার অঙ্কে লেনদেন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

জানা যায়, জজ কোর্ট ও রেজিস্ট্রি অফিস এলাকার প্রায় তিন শতাধিক বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে কোটি টাকারও বেশি অর্থ সংগ্রহ করেছে এ প্রতারক চক্র। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আব্দুল হামিদের পর সবচেয়ে বেশি সদস্য সংগ্রহে ভূমিকা রাখেন ম্যানেজার আব্দুর রাজ্জাক। এছাড়া সুন্দরী নারী কর্মী সামনে রেখে গ্রাহকদের আস্থা অর্জনের বিশেষ কৌশল অবলম্বন করা হয়।

২০২০ সালের মাঝামাঝি অফিস খোলার পর থেকেই সাদিক জনকল্যাণ সমিতি সাতক্ষীরা আদালতের কর্মকর্তা, আইনজীবী, আইনজীবী সহকারী ও রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মচারীদের লক্ষ্য করে উচ্চ লভ্যাংশ ও সহজ ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে ‘ডিপিএস’, ‘এফডিআর’ ও ‘সঞ্চয়পত্র’ খুলতে গ্রাহকদের উদ্বুদ্ধ করেন। প্রথম দিকে নিয়মিত লভ্যাংশ প্রদান করলেও, ২০২৫ সালের জানুয়ারির পর থেকে ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যায় তাদের কার্যক্রম। গত ৫ আগস্টের পর হঠাৎ অফিসে তালা পড়ে যায়- তখনই প্রকাশ্যে আসে এই সমিতির কোটি টাকার প্রতারণার কাহিনি।

একজন আইনজীবীর সহকারী নাম প্রকাশ না করে জানান, আমি ১২ লাখ টাকা এফডিআর করেছিলাম। প্রথম দিকে কিছু লভ্যাংশ পেয়েছি, পরে অফিস বন্ধ করে উধাও হয়ে গেছে। ফোনে যোগাযোগও সম্ভব হচ্ছে না।

অবসরপ্রাপ্ত আদালত পেশকার আব্দুল মুকিত বলেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে তারা যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এখন অফিসে তালা। আমার কাগজপত্র সবই আছে-  প্রয়োজনে মামলা করব।

সাতক্ষীরা সদর সমবায় কার্যালয়ের কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, সাদিক জনকল্যাণ সমিতি নামের কোনো অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান আছে কিনা জানা নেই।

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ


  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ভৈরবে চার ঘণ্টা তাণ্ডব, ভাঙচুর মসজিদ ও দোকানপাট
ভৈরবে চার ঘণ্টা তাণ্ডব, ভাঙচুর মসজিদ ও দোকানপাট
করতোয়া নদী থেকে ৬ ঘণ্টা পর যুবকের লাশ উদ্ধার
করতোয়া নদী থেকে ৬ ঘণ্টা পর যুবকের লাশ উদ্ধার
সাতক্ষীরার কাকবাসিয়ায় বেড়ীবাঁধে ভয়াবহ ভাঙ্গন
সাতক্ষীরার কাকবাসিয়ায় বেড়ীবাঁধে ভয়াবহ ভাঙ্গন