• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
logo
শিরোনাম
বধির ক্রীড়াবিদদের জন্য আরও সুযোগ-সুবিধা চাইলেন ডিএসসিসি প্রশাসক মেধাবী শিক্ষার্থী নীরবের পাশে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ১৫ বছরেও চাকরি ফেরেনি, পুনর্বহালের দাবিতে ১,৫২২ পুলিশ সদস্য মোদিকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান রাহুল গান্ধীর বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্প ও প্রবাসীদের নিয়ে ত্রিপাক্ষিক ইকোসিস্টেম গড়বে সরকার কলকাতায় বিক্ষোভের পর কড়া ব্যবস্থা, গুন্ডা দমন আইনে মামলা ড্যাফোডিলের প্রযুক্তি প্রদর্শনী ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্তের জন্য মেসিকে ধন্যবাদ জানালেন রিকেলমে বঙ্গভবনে অফিস করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, থাকবেন স্পিকারের বাসভবনেই আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা ককরোচ জনতা পার্টির

রাজশাহীর বাঘায় ১ সপ্তাহে পদ্মার গর্ভে বিলীন ১৫ বাড়ি

  রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশ:  ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৪:২৫ পি.এম.
শেয়ার করুন 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীর বাঘায় চকরাজাপুর ইউনিয়নের চৌমাদিয়া চরে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ১৫টি বাড়ি পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। দেখতে দেখতে এই বাড়িগুলো পদ্মার গর্ভে চলে যায়। জানা গেছে, পদ্মার চকরাজাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে চৌমাদিয়া চরে দুই শতাধিক ব্যক্তি বাড়ি করে বসবাস করছিলেন।

এর মধ্যে আয়নাল মোল্লার বাড়ির দক্ষিণে কিছু শাকসবজির আবাদ করা ছিল। ভালো বাড়ি দেখে পাশের এলাকায় গিয়েছিলেন আয়নাল মোল্লা। গত সোমবার বেলা ৯টার দিকে খবর পেলেন বাড়ি পদ্মার গর্ভে চলে যাচ্ছে।

এসে দেখেন টিনের তৈরি করা কিছু অংশ ঘর পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এর আগের রাতে একইভাবে মাদার ব্যাপারি আনজিরা বেগম ও পারু বেগমের বাড়ি পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

এদিকে এক সপ্তাহের ব্যবধানে চৌমাদিয়া চরের সুরুজামাল, সাইদুর রহমান, ছাপরান আলী, রুবেল হোসেন, জুয়েল আলী, এরশাদ আলী, আয়না বিবি, হাসেনা বেগম, সুলতান আলী, আবেদা বেগম, মাসুদ আলীর বাড়ি পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া আতারপাড়া ও দিয়ারকাদিরপুর চরের মানুষ ঝুঁকিতে বসবাস করছেন।

এ বিষয়ে চৌমাদিয়া চরের আয়নাল মোল্লা বলেন, “ভাই আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। পদ্মা আমার সব কিছু কেড়ে নিয়েছে। আমি নিরুপায় হয়ে পড়েছি। আমার যতটুকু জমি ছিল সব পদ্মা কেড়ে নিয়েছে। আমার যাওয়ার মতো কোনো জায়গা নেই। আমার তিন বিঘা জমির ওপর বাড়ি ছিল। এছাড়া ৭ বিঘা আবাদি জমি ছিল। সবগুলো জমি পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখন কোথায় থাকব, কিছুই বুঝতে পারছি না। বাড়ি করার জায়গাও পাচ্ছি না। বাড়ি ভেঙে নিয়ে আসছি।’

এ কথাগুলো বলতে বলতে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। চকরাজাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের চৌমাদিয়া চরের সাবেক মেম্বার আবদুর রহমান বলেন, এই ওয়ার্ডে নদী ভাঙনের কারণে ইতোমধ্যে শতাধিক পরিবার বিভিন্ন স্থানে চলে গেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ১৫টি বাড়ি নদীগর্ভে চলে যাবে কল্পনা করতে পারিনি। নদী ভাঙতে ভাঙতে চরের মানুষ নিঃস্ব হয়ে গেছে। চরের মানুষের যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। নদী ভাঙনে নিরুপায় হয়ে পড়েছে। তবে নদী ভাঙনের বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করা হয়েছে। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী আক্তার বলেন, পদ্মায় ভাঙনের বিষয়ে অবগত আছি। ভাঙনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ভিওডি বাংলা- মো. রমজান আলী /জা
 


মন্তব্য

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ছবি সংগৃহীত
রাজশাহীর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা বরখাস্ত
ছবি সংগৃহীত
দুসপ্তাহ পর রাঙামাটি-বান্দরবান সড়কে যান চলাচল শুরু
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন পাবনা-১ আসনের এমপি ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন। ছবি: ভিওডি বাংলা
সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহর নির্দেশেই হামলা : এমপি মোমেন