• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে: সংসদে মির্জা ফখরুল আদাবর থানার ওসিকে কোপাল ছিনতাইকারীরা, গুলি চালাল পুলিশ অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে মোশাররফ-জুঁই, আসলে যা ঘটেছিল কলকাতায় হত্যা মামলায় জামিন, কারামুক্তির পথে আবুল বারকাত শিশুর মৃত্যু ঘিরে রণক্ষেত্র আদিতমারী, পুলিশ-সন্ত্রাসী সংঘর্ষে আহত ৩০ ১০ জেলায় সম্প্রসারিত হচ্ছে রেল সেবা: রেলমন্ত্রী পদ্মা সেতুর নিচ থেকে মাটি সরানো বন্ধ, গাছ লাগানো হবে: সেতুমন্ত্রী পরীমণির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক, বাধ্যতামূলক অবসরে এডিসি সাকলায়েন পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাঝে স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ করলেন ডিএসসিসি প্রশাসক পল্লবীতে গোলাগুলি, সন্ত্রাসী ‘টান আকাশ’ গ্রেপ্তার

রাজশাহী চারঘাটে ৪০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক

   ২১ জুলাই ২০২৫, ০৭:২৬ পি.এম.

মোঃ রমজান আলী রাজশাহী ব্যুরো 

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার ৪০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া সাতটি স্কুলে প্রধান শিক্ষক পদ নিয়ে মামলা চলমান রয়েছে। এতে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষা দুটোই ব্যহত হচ্ছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চারঘাট উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ৭৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। ওইসব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের অনুমোদিত পদ রয়েছে ৭৩ জন। অনুমোদিত পদের মধ্যে কর্মরত রয়েছেন ২৬ জন।

এর মধ্যে ৭টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদ নিয়ে মামলা চলমান রয়েছে। বাকি ৪০টি স্কুলে ভারপ্রাপ্ত ও অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম।
উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বর্তমানে প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। এর বিপরীতে শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন প্রায় ৪৫৩ জন। তবে অনুমোদিত শিক্ষক থাকায় ওই পদে শূন্য রয়েছে ১০ জন।

বনকিশোর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিমুলিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডাকরা প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাকঁড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, বুদিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পরানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জাগিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ উপজেলার প্রায় ১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক না থাকায় একই সাথে সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে হয় তাদের, তাতে পাঠদান ব্যাহত হয়।

নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজ সামলাতে অনেক বেগ পেতে হয়। প্রধান শিক্ষক না থাকায় এমনিতেই একজন শিক্ষক কম হয় এরপর প্রশাসনিক কাজে উপজেলা শিক্ষা অফিস গেলে পরস্পর সমঝোতায় বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক দিয়ে নির্ধারিত পাঠদান সম্পন্ন করতে হয় বলে জানান ওই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকগণ।

এক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন এমন শিক্ষকগণ ১৫০০/- টাকা ভাতা পেলেও বাড়তি দায়িত্ব পালন করছেন এমন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকগণের জন্য সরকারি অর্থনেতিক সুবিধা নেই বলেও জানান তারা।

এদিকে, একাধিক অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রধান শিক্ষকের পদ খালি থাকায় বিদ্যালয়গুলো অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। ভারপ্রাপ্ত অনেক সময় সঠিক ও দ্রুত কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। তাছাড়া শিক্ষক সংকট থাকায় আামদের ছেলে মেয়েদের পাঠদান ব্যাহত হয় বলে জানান তারা।

এবিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার বলেন, বেশ কয়েক মাস ধরে প্রায় ৪০টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদ শুন্য রয়েছে। তবে উর্ধ্বোতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। যতদ্রুত সম্ভব নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে এই সংকট কেটে যাবে বলে তিনি জানান।

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট কেনাবেচার অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট কেনাবেচার অভিযোগ
এলাকাবাসীর সহযোগিতায় সীমান্তে পাঁচ দফা পুশইনচেষ্টা ব্যর্থ
এলাকাবাসীর সহযোগিতায় সীমান্তে পাঁচ দফা পুশইনচেষ্টা ব্যর্থ
গফরগাঁওয়ে ভাড়া বাসা থেকে ব্যাংক কর্মীর মরদেহ উদ্ধার
গফরগাঁওয়ে ভাড়া বাসা থেকে ব্যাংক কর্মীর মরদেহ উদ্ধার