• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
রামিসার পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ সহায়তার ছবিটি ভুয়া নিরাপদ হাট ব্যবস্থাপনা ও জাল টাকা প্রতিরোধে সর্বাত্মক ব্যবস্থা রয়েছে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ঈদযাত্রায় রেলে শিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই : রেলমন্ত্রী রামিসা হত্যার বিচারকাজ ৫-৭ দিনের মধ্যে শেষ করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা শহরের বর্জ্য দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: ডিএসসিসি প্রশাসক ঢাকাসহ ১৯ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও সবুজ অর্থনীতির পথে এগোচ্ছে দেশ : প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি বাদ দিলে এনবিআর হবে চরম অলস সংস্থা : ড. ওয়ারেসুল করিম রাজধানীর ভাষানটেকে আবারও শিশু ধর্ষণের অভিযোগ চামড়ার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় কন্ট্রোল রুম চালু

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

মিড-ডে মিল কর্মসূচিতে খাদ্যের মানে কোনো ছাড় নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২৪ মে ২০২৬, ০১:৩৯ পি.এম.
স্কুল ফিডিং কর্মসূচির মান নিশ্চিতকরণে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখছেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।ছবি : ভিওডি বাংলা

স্কুল ফিডিং বা মিড-ডে মিল কর্মসূচিতে শিশুদের জন্য সরবরাহকৃত খাবারের গুণগত মান ও নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলে কঠোর অবস্থান জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এই কর্মসূচিতে গাফিলতি, অনিয়ম বা নিম্নমানের খাদ্য সরবরাহ কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। 

রোববার (২৪ মে) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক সভা নয়, বরং দেশের শিশুদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির অংশ। তাই এখানে দায়িত্বে থাকা প্রতিটি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে কাজ করতে হবে। সভায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে দেশের ১৫১টি উপজেলায় এই স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এতে হাজার হাজার কোটি টাকার সরকারি ব্যয় যুক্ত রয়েছে। এত বড় পরিসরের প্রকল্পে কোনো ধরনের ব্যর্থতা বা অব্যবস্থাপনা ঘটলে তা সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলের জন্যই ক্ষতিকর হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে কঠোর বার্তা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার ব্যবসাবান্ধব হলেও শিশুদের খাদ্য নিয়ে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা নির্ধারিত মান বজায় রাখতে ব্যর্থ হবে, তাদের ভবিষ্যতে এই প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ থাকবে না।

সভায় তিনি নতুন কিছু নির্দেশনা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এর মধ্যে রয়েছে-সম্পূর্ণ সাপ্লাই চেইন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা, খাদ্য প্রস্তুত ও সরবরাহ প্রক্রিয়ায় দক্ষ ফুড টেকনিশিয়ান নিয়োগ, স্থানীয়ভাবে নিরাপদ খাদ্য সংগ্রহ নিশ্চিত করা এবং প্রতিদিন নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে খাবার পৌঁছে দেওয়া। পাশাপাশি মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “খাদ্য কোথা থেকে আসছে, কীভাবে প্রক্রিয়াজাত হচ্ছে এবং কোন প্রক্রিয়ায় বিদ্যালয়ে পৌঁছাচ্ছে-এসব তথ্য সরকারের কাছে সম্পূর্ণভাবে থাকতে হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া এই কর্মসূচি সফল করা সম্ভব নয়।”

তিনি আরও বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো দেশের প্রতিটি শিশু যেন পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাবার পায়। এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। তবে একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদেরও নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

সভায় উপস্থিত সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা মাঠপর্যায়ে বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা, লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এসব সমস্যার সমাধানে প্রতিমন্ত্রী শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের আশ্বাস দেন।

তিনি বলেন, এটি একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে যে সমস্যাগুলো চিহ্নিত হচ্ছে, সেগুলো সমাধান করেই ভবিষ্যতে দেশব্যাপী আরও কার্যকরভাবে এই কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে।

সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন জেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
জাতীয় শিক্ষাক্রমে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ
যুক্ত হচ্ছে ৮ ইভেন্ট জাতীয় শিক্ষাক্রমে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ
শনিবার স্কুল খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
শনিবার স্কুল খোলা রাখা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
স্কুল-কলেজ ১৬, মাদ্রাসা ২৩ দিন বন্ধ
ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ স্কুল-কলেজ ১৬, মাদ্রাসা ২৩ দিন বন্ধ