লৌহজংয়ে পৃথক অভিযানে ২১৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩

মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় পৃথক দুটি অভিযানে প্রায় ৬৫ হাজার টাকা মূল্যের ২১৫ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১০।
শনিবার (২৪ মে) র্যাব-১০-এর পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
র্যাব জানায়, মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৩ মে) বিকেলে র্যাব-১০, সিপিসি-২, শ্রীনগর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ইয়াবা উদ্ধার ছাড়াও মাদক চক্রের সক্রিয় সদস্যদের আটক করা হয়।
প্রথম অভিযান বিকেল আনুমানিক ৩টা ৫ মিনিটের দিকে লৌহজং থানার হলদিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ৬৫ পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৯ হাজার ৫০০ টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব।
আটক ব্যক্তিরা হলেন-ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলার ইকুরিয়া মীরেরবাগ এলাকার আব্দুর রবের ছেলে মো. হৃদয় (২৭) এবং একই এলাকার মো. সালাউদ্দিনের ছেলে মো. ইয়ামিন (১৮)।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত ওই অভিযানে সন্দেহভাজনদের তল্লাশি করে ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে মাদক কারবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যায়।
একই দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে লৌহজং থানার গোয়ালী মান্দ্রার এলাকায় আরেকটি অভিযান চালায় র্যাবের দলটি। এ অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ মো. দেলোয়ার হোসেন (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার বাজারমূল্য প্রায় ৪৫ হাজার টাকা বলে জানানো হয়েছে।
আটক দেলোয়ার হোসেন মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার উত্তর বালাশুর নতুন বাজার এলাকার মৃত কোরবান আলী শেখের ছেলে।
র্যাব জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে ইয়াবা ও অন্যান্য মাদক সংগ্রহ করে মুন্সিগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য এবং আটক ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব আরও উল্লেখ করে, মাদক বর্তমানে সমাজের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ মাদকের কারণে বিপথগামী হচ্ছে, যা সামাজিক অস্থিরতা ও অপরাধ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
র্যাবের দাবি, মাদক নির্মূলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে তারা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও মাদক, সন্ত্রাস, অস্ত্র ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
ভিওডি বাংলা/জা







