জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় পূর্ব বিরোধের জেরে জিল্লুর রহমান নামে এক জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবক আব্দুর রহমান, স্বপন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার দাশমরিচ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত জিল্লুর রহমান দাশমরিচ গ্রামের বাসিন্দা ও খানমরিচ ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি।
অভিযুক্ত আব্দুর রহমান একই উপজেলার কালিয়ানজিরি গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে।
খানমরিচ ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাফেজ আবুল কালাম বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে জিল্লুর রহমানকে দেখে আব্দুর রহমান কিরে কোথায় জান্নাতের টিকিট বেচতে যাস-বলে কটূক্তি করলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে জিল্লুরের সাথে থাকা একজন রহমানকে দুটি চড় মারেন। এই ঘটনার জেরে দুপুরে আব্দুর রহমান ৮ থেকে ১০ জনকে সঙ্গে নিয়ে জিল্লুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে তার মাকে মারধর করেন। পরে জিল্লুর রহমানকে খুঁজতে স্থানীয় একটি স্কুলেও যান হামলাকারীরা। সেখানে তাকে না পেয়ে রাত ৮টার দিকে রাস্তায় পেয়ে জিল্লুরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন তারা।
স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক আহত জিল্লুর রহমানকে উদ্ধার করে প্রথমে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
ঘটনার পরপরই ভাঙ্গুড়া থানায় যান পাবনা-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য মাওলানা আলী আছগার। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে থানার সামনে বিক্ষোভ ও স্লোগান দেন তিনি।
এ বিষয়ে এমপি আলী আছগার বলেন, আমাদের এক নেতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছে। আমি তাৎক্ষণিক থানায় গিয়ে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছি।
খানমরিচ ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাদ্দাম হোসেন বলেন, আব্দুর রহমান নামে অভিযুক্ত যুবক ছাত্রদল তথা বিএনপির সাথে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়। বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে এই প্রপাগান্ডা ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। মূলত কয়েকদিন আগে স্থানীয় এক জামায়াত কর্মী পরকীয়া করতে গিয়ে ধরা পরে জনগণের হাতে লাঞ্ছিত হন। সেই বিষয়ে কথা কাটাকাটি থেকেই ঘটনার উৎপত্তি।
এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার ওসি সাকিউল আযম বলেন, আহতের পক্ষ থেকে এখনও কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনা সম্পর্কে পুলিশ অবগত আছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
ভিওডি বাংলা/এম এস রহমান/এফএ






