{# Both bootstrap.min.css (190KB) and style.css (129KB) async-loaded via preload + onload swap. Inline critical CSS above covers above-the-fold. #} {# Third-party scripts: GA / ShareThis / Cloudflare on idle. AdSense is special — show_ads_impl_fy2021.js was eating 2.1s CPU, so it loads ONLY when an ad slot is near the viewport. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

নৌ মন্ত্রণালয়ে ১৬ সংস্থা, তবুও ঘাটতি ও অপূর্ণতা : নৌ-মন্ত্রী

   ১০ মে ২০২৬, ০২:০১ পি.এম.
ছবি : সংগৃহীত

নৌপরিবহন খাতের শ্রমিক, নাবিক, মালিক ও ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে অসন্তোষ ও সমন্বয়হীনতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, একটি নৌযাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে যত দপ্তর ও সংস্থা প্রয়োজন, তার সবই দেশে রয়েছে। শুধু নৌ মন্ত্রণালয়ের অধীনেই প্রায় ১৬টি সংস্থা কাজ করছে। তারপরও ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি ও অপূর্ণতা থেকে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এর দায় এককভাবে কারও নয়, বরং সবার। শ্রমিকরা দেশ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন, কিন্তু রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে মালিক, শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের সম্মিলিতভাবে দায়িত্বশীল হতে হবে।

রোববার (১০ মে) রাজধানীর ঢাকা লেডিস ক্লাবে নৌপরিহন অধিদপ্তর আয়োজিত নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ ২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

নৌ পরিবহনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনও অনেকাংশে শ্রমনির্ভর। গার্মেন্ট শ্রমিক ও প্রবাসী শ্রমিকদের অবদান ছাড়া দেশের অর্থনীতি সচল রাখা সম্ভব নয়। একই সঙ্গে দেশের ভেতরের শ্রমজীবী মানুষেরাও নীরবে রাষ্ট্র গঠনে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক আশীর্বাদগুলোর একটি হলো প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ। অথচ এই বিশাল সম্পদকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে না। বর্তমানে সাড়ে ৭ হাজার কিলোমিটার নৌপথ সচল রাখা হয়েছে, আরও ১২০০ কিলোমিটারে ড্রেজিং চলছে এবং অতিরিক্ত সাড়ে ৪ হাজার কিলোমিটার নৌপথ সচল করার সুযোগ রয়েছে। তবে নৌযান ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে এখনও জরাজীর্ণতা ও শৃঙ্খলার অভাব রয়েছে।

নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ উদযাপনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, যেমন রমজান মাস মানুষকে আত্মশুদ্ধি ও সংযমের অনুশীলন শেখায়, তেমনি এই ধরনের আয়োজনও দায়িত্ব ও কর্তব্যে ফিরে আসার সুযোগ তৈরি করে। কর্মব্যস্ততা, সামাজিক চাপ ও ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে মানুষ দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত হয়। তাই এ ধরনের সপ্তাহ পালন সবাইকে আবার সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে সহায়তা করে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠকে বিভিন্ন সমস্যা ও বিচ্যুতি চিহ্নিত করে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। জনগণের স্বার্থে নিরাপদ নৌযাত্রা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

নৌযাত্রাকে আরও নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও উপভোগ্য করতে মালিক, শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে রবিউল আলম বলেন, সদরঘাটে ঈদের সময় আগের চেয়ে ভালো ব্যবস্থাপনা দেখা গেছে, তবে আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দুই থেকে তিন বছরের মধ্যেই দেশের নৌ ব্যবস্থাপনার চেহারা বদলে দেওয়া সম্ভব। শুধু আর্থিক বিনিয়োগে নয়, বরং মেধা, শ্রম, ত্যাগ ও দায়িত্ববোধের বিনিয়োগের মাধ্যমেই একটি দেশ সমৃদ্ধ হয়।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিজেদের পরিবার নিরাপদ হওয়ার পর সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য আরও বেশি অবদান রাখতে হবে। তাহলেই দেশের পরিবর্তন সম্ভব হবে।

ঈদকে সামনে রেখে নৌপথে যাত্রীসেবায় আরও সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আরও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মালিক ও শ্রমিকরা ইতোমধ্যে সহযোগিতামূলক মনোভাব দেখিয়েছেন। ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ নয়, রাষ্ট্র ও জনগণের সার্বজনীন স্বার্থে যেকোনো প্রয়োজনীয় উদ্যোগ সরকার গ্রহণ করবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, নৌপরিবহন সচিব জাকারিয়া, বিআইডব্লিউটিএ-এর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মো. শফিউল বারী, চীফ ইঞ্জিনিয়ার এণ্ড শিপ সার্ভেয়ার মির্জা সাইফুর রহমান প্রমুখ।

ভিওডি বাংলা/এসআর

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
মানবিকতায় দৃষ্টান্ত স্থাপন গাজীপুরের ডিসির
মানবিকতায় দৃষ্টান্ত স্থাপন গাজীপুরের ডিসির
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মতপ্রকাশে বিধিনিষেধ ছিল
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল: অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মতপ্রকাশে বিধিনিষেধ ছিল
পুলিশের প্রতি সরকারের প্রত্যাশার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী
পুলিশের প্রতি সরকারের প্রত্যাশার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী