কৃষিজমি রক্ষা করেই শিল্পায়ন: শিল্পমন্ত্রী

শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, কৃষিজমি সংরক্ষণকে অগ্রাধিকার দিয়েই দেশে শিল্পায়নের প্রসার ঘটাতে হবে। বিসিক শিল্পনগরী সম্প্রসারণ কিংবা নতুন শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে পরিত্যক্ত, অকৃষি ও এক ফসলি জমিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে উর্বর কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যায় নীলফামারীর সৈয়দপুরে বিসিক শিল্পনগরী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, কৃষিজমি রক্ষা করেই শিল্পের প্রসার ঘটাতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতে নানা ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। বিসিক শিল্পনগরী স্থাপনে সরকারের সুস্পষ্ট নীতিমালা রয়েছে এবং সেই নীতিমালা অনুসরণ করেই জমি নির্বাচন করা হচ্ছে।
তিনি জানান, রংপুর বিভাগের বিদ্যমান বিসিক শিল্পনগরীগুলোর সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় জমি সংযুক্ত করা হবে। পাশাপাশি প্রয়োজন হলে নতুন বিসিক শিল্পনগরীও গড়ে তোলা হবে।
শিল্পমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার শুধু প্রচলিত শিল্পে সীমাবদ্ধ না থেকে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, কৃষিভিত্তিক শিল্প ও হালকা প্রকৌশল খাতকে আরও শক্তিশালী করতে চায়। রেলওয়েকে কেন্দ্র করে এ অঞ্চলে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও হালকা প্রকৌশল শিল্পের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্লাস্টিক ও পলিথিন ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন, চাইলেই একদিনে এসব পণ্যের ব্যবহার বন্ধ করা সম্ভব নয়। বর্তমানে দেশে পাটের উৎপাদন ও সরবরাহ সেই পর্যায়ে পৌঁছায়নি যে, সব প্লাস্টিক পণ্যের বিকল্প হিসেবে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহার করা যাবে। এজন্য পরিকল্পিতভাবে পাটের উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে ধাপে ধাপে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি করে পরিবেশবান্ধব শিল্প ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
এ সময় নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানসহ স্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিওডি বাংলা/আ







