মেহেরপুরে বিএনপি নেতাকে গুলি, ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় বিএনপি নেতা মুকুল হোসেনকে (৫৫) লক্ষ্য করে গুলি ও বোমা হামলার ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) এক নেতাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উত্তম কুমার দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে আজ ভোরে উপজেলার সাহারবাটি ইউনিয়নের সাহারবাটি-ভাটপাড়া সড়কে ওই হামলার ঘটনা ঘটে। মুকুল হোসেন সাহারবাটি ইউনিয়ন বিএনপির ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক এবং স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি। তাকে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটক ব্যক্তির নাম টোকন বিশ্বাস। তিনি সাহারবাটি গ্রামের বাসিন্দা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।
হামলার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও ওই সড়কের পাশের বাসিন্দা শামসুন্নাহার বলেন, ‘হামলার সময়টি ছিল ভোর। ফজরের নামাজ পড়ে মুসল্লিরা তখন বাড়ি ফিরছিলেন। হঠাৎ ‘বাঁচাও, বাঁচাও’ চিৎকার শোনা যাচ্ছিল। ঘর থেকে বেরিয়ে দেখি মুকুল সড়কের পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন এবং বাঁচার জন্য আকুতি জানাচ্ছেন। তখনো চারপাশ নির্জন ছিল।’
শামসুন্নাহার আরও জানান, তার চিৎকারে আশপাশের বাড়ির লোকজন দ্রুত ছুটে আসেন এবং মুকুলকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
মুকুলের ছেলে ও ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আসিফ ইকবাল বলেন, ‘বাবার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কুষ্টিয়া থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমরা তাকে নিয়ে এখন ঢাকায় যাচ্ছি। যারা গুলি করেছে, তাদের কয়েকজনের নাম পুলিশকে জানিয়েছেন বাবা।’
এ ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে জানিয়ে সাহারবাটি গ্রামের বাসিন্দা মাসুম মিয়া বলেন, এ ঘটনার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জামিনুর রহমান খান বলেন, ওই হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ভিওডি বাংলা/এসআর







