বিএনপি নেতার পাম্প থেকে ৫০ হাজার লিটার পেট্রল গায়েব, ম্যানেজার গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বিএনপি নেতা মো. আজিজুল হকের মালিকানাধীন ফিলিং স্টেশন থেকে প্রায় ৫০ হাজার লিটার পেট্রল গায়েব হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার জলিল হেসেন রিফাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মো. আজিজুল হক গৌরীপুর ইউনিয়নের হিম্মতনগর গ্রামের মো. উসমান গণির ছেলে। তিনি উপজেলার বিএনপির সদস্য সচিব।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এই তথ্য উঠে আসে। অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হুদা মনির।
এদিকে রাতেই জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সার্টিফিকেট সহকারী আফসারুল ইসলাম গৌরীপুর থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন।
মামলার তথ্যমতে, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় অভিযানকালে জানা যায়, উপজেলার কলতাপাড়া বাজারের মেসার্স সোয়াদ ফিলিং স্টেশন এই মাসে ১, ২ ও ৩ এপ্রিল ১৩,৫০০ লিটার করে মোট ৪০,৫০০ লিটার, এবং ৬ ও ৭ এপ্রিল ৯,০০০ লিটার করে মোট ১৮,০০০ লিটার পেট্রল বরাদ্দ পায়। এছাড়া কিশোরগঞ্জের ভৈরববাজার ডিপো থেকে চলতি মাসে এখন পর্যন্ত ৫৮,৫০০ লিটার পেট্রল সরবরাহ করা হয়েছে।
তবে ম্যানেজার মো. জলিল হোসেন রিফাত ভ্রাম্যমাণ আদালতকে জানান, চলতি মাসে ডিপো থেকে মাত্র ৯,০০০ লিটার পেট্রল বিতরণ হয়েছে। আদালত এই তথ্যের ভিত্তিতে ফিলিং স্টেশনটিকে অবৈধভাবে তেল মজুত বা ব্যবসায় জড়িত বলে ঘোষণা করে।
ফিলিং স্টেশনের মালিক ও গৌরীপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব হাফেজ মো. আজিজুল হক বলেন, “ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার কয়েক দিন আগে নিয়োগ পেয়েছেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের সময় তিনি সঠিক তথ্য দিতে পারেননি। যে পরিমাণ তেল পেয়েছি, সব বিক্রি করেছি। কিন্তু এই ঘটনার ভিত্তিতে আমার ও ফিলিং স্টেশনের নামে মিথ্যা অপপ্রচার করা হচ্ছে।”
গৌরীপুর থানার ওসি মো. কামরুল হাসান জানিয়েছেন, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি তেল মজুত ও কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তের জন্য তদন্ত চলমান।
ভিওডি বাংলা/এমএস







