• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

ফের ৩ দিনের রিমান্ডে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫০ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার পল্টন থানায় দায়েরকৃত মানবপাচার ও অর্থ আত্মসাৎ মামলায় এক-এগারোর সময়ের আলোচিত সেনা কর্মকর্তা ও ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে তৃতীয় দফায় ৩ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালত এই আদেশ দেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান জানান, দ্বিতীয় দফায় ৬ দিনের রিমান্ড শেষে আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তিনি ৪ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, “আসামিকে অতি সতর্কতার সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও ৬ দিনের রিমান্ডে মালয়েশিয়ায় ২০২২-২০২৪ সালে কতজন কর্মী পাঠানো হয়েছে, এজেন্সির কার্যক্রম, এফডব্লিউসিএসএম-এর অপারেশনাল তথ্য, কতজন যাত্রী ফেরত এসেছে, মেডিকেল ফি বাবদ কত টাকা গ্রহণ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ক পারমিট সংক্রান্ত নথিপত্র সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া আত্মসাৎ করা অর্থ উদ্ধার এবং পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে তাকে ফের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ জরুরি।”

মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আগেও কয়েক দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। গত ২৩ মার্চ রাতে রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। ২৪ মার্চ ৫ দিনের এবং ২৯ মার্চ ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছিল।

মামলাটি গত ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা হয়। অভিযোগকারি আলতাব খান, যিনি আফিয়া ওভারসিজের স্বত্বাধিকারী, মামলায় সাবেক প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমেদ, সাবেক সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন, সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক এমপি বেনজীর আহমেদ এবং ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মো. রুহুল আমীন স্বপনসহ ১০৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলায় বলা হয়, জনশক্তি রপ্তানিতে ২ হাজারের বেশি রিক্রুটিং এজেন্ট থাকলেও আসামিরা একটি ‘মাফিয়া সিন্ডিকেট’ গঠন করে ব্যবসায়ীদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। সাবেক সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন সরকারি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তার ছেলেকে এই সিন্ডিকেটে যুক্ত করেছেন। সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমেদ তার স্ত্রীর বড় ভাইয়ের ছেলেকে অনুমোদন দিয়ে ‘প্রবাসী’ নামের অ্যাপস চালু করেছেন এবং চক্রকে সহায়তা করেছেন।

সংগঠিতভাবে তারা বাদীর সরলতাকে কাজে লাগিয়ে ৮৪১ জন কর্মীর প্রত্যেকের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা করে মোট ১২ কোটি ৫৬ লাখ ১ হাজার টাকা আদায় করেছেন। এছাড়া অন্যান্য ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা চাঁদা আদায় করে তা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভিওডি বাংলা/এমএস 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ
হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ
আনিসুল হক ও বান্ধবী তৌফিকার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
আনিসুল হক ও বান্ধবী তৌফিকার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
আবারও আসিফ মাহমুদের সাবেক সহকারীকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
আবারও আসিফ মাহমুদের সাবেক সহকারীকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা