হঠাৎ তুরস্ক সফরে জেলেনস্কি

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে নিরাপত্তা ও কৌশলগত আলোচনার জন্য তুরস্কে পৌঁছেছেন ভলোদিমির জেলেনস্কি।
জেলেনস্কির এই সফর আসে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান-এর মধ্যে ফোনালাপের একদিন পর। ফোনালাপে পুতিন অভিযোগ করেন, কিয়েভের বিরুদ্ধে রাশিয়া ও তুরস্কের মধ্যকার গ্যাস পাইপলাইনকে লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা ইউরোপের একাধিক দেশে গ্যাস সরবরাহ করে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে পোস্টে জেলেনস্কি লিখেছেন, “ইস্তাম্বুলে পৌঁছেছি, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, “আমরা আমাদের অংশীদারিত্বকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছি, যাতে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে জনগণের জীবন সুরক্ষিত ও নিরাপদ থাকে এবং স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পায়।”
সফরের সময় জেলেনস্কি অধিকাংশ খ্রিস্টান অর্থোডক্স চার্চের আধ্যাত্মিক নেতা একিউমেনিক্যাল প্যাট্রিয়ার্ক বার্থোলোমিউ-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হচ্ছে অর্থোডক্স ইস্টার সানডে-এর এক সপ্তাহ আগে, যা উভয়ই দেশেই ১২ এপ্রিল পালিত হবে।
কিয়েভ ইতিমধ্যেই অর্থোডক্স ইস্টারের সময় একটি যুদ্ধবিরতির জন্য আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াচ্ছে, যাতে জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা বন্ধ রাখা যায়। অন্যদিকে, রাশিয়া শুধুমাত্র সংক্ষিপ্ত যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে স্থায়ী সমাধান চায়। তারা দাবি করেছে, “কিয়েভের কাছ থেকে কোনো সুস্পষ্টভাবে প্রণীত প্রস্তাব পাওয়া যায়নি।”
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে চার বছরেরও বেশি সময় ধরে ইউক্রেন রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে, যা রাশিয়ার সক্ষমতা দুর্বল করার লক্ষ্য বহন করে। ২০২২ সালের শুরু থেকে এই হামলায় ইউক্রেনের জ্বালানি সরবরাহে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে লাখ লাখ মানুষ বিদ্যুৎ ও উষ্ণতার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
সূত্র: এএফপি।
ভিওডি বাংলা/এমএস







