টানা ১৬ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে অবিরাম পরিশ্রমের দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত টানা প্রায় ১৬ ঘণ্টা সরকারি দায়িত্ব পালন করে তিনি এক ব্যতিক্রমী কর্মনিষ্ঠার পরিচয় দেন।
সকাল ঠিক ৯টায় বাংলাদেশ সচিবালয়-এ দিনের কাজ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। দপ্তরে প্রবেশের পরপরই গুরুত্বপূর্ণ নথি যাচাই, উচ্চপর্যায়ের বৈঠক এবং নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। প্রতিটি কাজে তার মনোযোগ ও দৃঢ় অবস্থান ছিল স্পষ্ট। সময়ের ধারাবাহিকতায় একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নিতে নিতে বিকেল পার হলেও তার কর্মউদ্যমে কোনো ভাটা পড়েনি।
বিকেল সাড়ে তিনটায় সচিবালয়ের কার্যক্রম শেষ করে তিনি যোগ দেন জাতীয় সংসদ-এর অধিবেশনে। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা, নীতিনির্ধারণ এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে রাত ৮টা পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে অংশ নেন তিনি, যা একজন দায়িত্বশীল রাষ্ট্রনায়কের ভূমিকার প্রতিফলন হিসেবে দেখা গেছে।
সংসদ অধিবেশন শেষে তার কর্মব্যস্ততা থেমে থাকেনি। রাত পৌনে ৯টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের বিশেষ বৈঠকে অংশ নেন তিনি। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা চলে এই বৈঠকে, যা শেষ হয় রাত ১১টা ৩০ মিনিটের পর। এরপরও তিনি নিজের দপ্তরে ফিরে দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে যান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত টানা দায়িত্ব পালন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দৈনিক ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা অফিস করা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত রুটিন বলা যায়। তবে আজ তা প্রায় ১৬ ঘণ্টা ছুঁয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “এই দীর্ঘ কর্মঘণ্টা শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, এটি দেশবাসীর জন্য একটি বিশেষ বার্তা। যখন অনেকেই দিনের শেষে বিশ্রামে যান, তখনও একজন নেতা জেগে থাকেন দেশের তরে, আগামীর সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য।”
ভিওডি বাংলা/এমএস







