এলো ৬২ হাজার টন, আরও ৫৮ লাখ টন গম কিনতে হবে সরকারকে

দেশে গমের বার্ষিক চাহিদা ৭০ লাখ মেট্রিক টন। উৎপাদন হয় ১০ লাখ মেট্রিক টন। বাকি ৬০ লাখ মেট্রিক টন গম জি টু জি প্রকল্পের আওতায় নগদ ক্রয় করতে হয় বাংলাদেশকে। এর ধারাবাহিকতায় কিছুদিন আগে ৫৮ হাজার ৪৫৭ মেট্রিক টন গম দেশে এসেছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৬২ হাজার ১৫০ টন গম নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে পৌঁছেছে বলে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এ হিসেব অনুযায়ী, বাংলাদেশকে আরও ৫৮–৫৯ লাখ মেট্রিক টন গম বিভিন্ন দেশ থেকে কিনতে হবে।
মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশ সরকার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আলোকে নগদ ক্রয় চুক্তি নম্বর জি টু জি-০৩ এর অধীনে এ গম এসেছে। এর আগে একই চুক্তির আওতায় প্রথম চালানে ৫৮ হাজার ৪৫৭ টন গম দেশে পৌঁছেছিল।
বর্তমানে জাহাজে থাকা গমের নমুনা পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং দ্রুত খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জাহাজে থাকা মোট গমের মধ্যে ৩৭ হাজার ২৯০ টন চট্টগ্রাম বন্দরে এবং অবশিষ্ট ২৪ হাজার ৮৬০ টন মোংলা বন্দরে খালাস করা হবে।
এর আগে সরকার-টু-সরকার (জি টু জি) ভিত্তিতে স্বাক্ষরিত জি টু জি–০১ ও জি টু জি–০২ চুক্তির আওতায় যথাক্রমে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৫ মেট্রিক টন এবং ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৯ মেট্রিক টন গম দেশে এসেছে। দুই চুক্তিতে মোট আমদানি হয়েছে ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৮৮৪ মেট্রিক টন গম।
দেশে বছরে মোট গমের চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন, যেখানে উৎপাদন হয় প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন। ফলে চাহিদা পূরণে বাকি গম সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।
ভিওডি বাংলা/আরআর







