স্বাধীনতা দিবসে বীর ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারবর্গের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

কুড়িগ্রামে জেলায় মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারবর্গের সম্মানে স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা টাউন হল অডিটরিয়াম মিলনায়তনে এই সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদসহ অন্যান্য কর্মকর্তা এবং মুক্তিযোদ্ধা বৃন্দ শহীদদের পরিবারবর্গ।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, ‘মহান স্বাধীনতা আমাদের জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন, যা এসেছে সাহসী মুক্তিযোদ্ধাদের অসীম ত্যাগ, সাহস ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে। তাঁদের অবদান যেন কখনো বিস্মৃত না হয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে আমাদের সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শহীদ সাহসী মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারবর্গ আমাদের গর্ব ও অনুপ্রেরণার উৎস। রাষ্ট্র তাঁদের সর্বোচ্চ সম্মান নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সরকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’
বিশেষ অতিথি -আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ বলেন-তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন অনুযায়ী দেশপ্রেম, সততা ও দায়িত্ববোধে অনুপ্রাণিত হয়ে সকলের একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া উচিত।’
অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের পুষ্পস্তবক অর্পণ করে সম্মাননা জানানো হয়।
এছাড়াও, কুড়িগ্রাম জেলা ইউনিটের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.নুরুজ্জামান আলোচনা সভায় বলেন -মহান স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে দেশ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালনের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
এরআগে, পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানসহ জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন, প্রেস ক্লাব, বিএনপি এবং সকল দপ্তর, আদালত, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা স্মৃতিসৌধে উপস্থিত ছিলেন।
ভিওডি বাংলা-মো. এরশাদুল হক/জা







