• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

আস্থা সংকট ছাপিয়ে শেয়ারবাজারে ফিরছেন বিদেশি ও প্রবাসীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৯ মার্চ ২০২৬, ০২:৩০ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ অব্যবস্থাপনা ও লুটপাট অব্যাহত থাকায় দেশের শেয়ারবাজার থেকে ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগ প্রত্যাহার করছিলেন বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা। ফলে বাজারে আস্থার সংকট তৈরি হয় এবং লেনদেনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।  

তবে চলতি বছরের মার্চ মাসে সেই প্রবণতায় কিছুটা পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।  দেশের বাজারে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের সংখ্যা বাড়তে দেখা যাচ্ছে। বেড়েছে স্থানীয় বা দেশি বিনিয়োগকারীর সংখ্যা।

চলতি মাসের প্রথম ১৭ দিনে (১২ কার্যদিবস) বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাব বেড়েছে ৫৫টি।  অর্থাৎ, প্রতি কার্যদিবসে ৪টির বেশি বিদেশি ও প্রবাসী বিও হিসাব বেড়েছে। এই ১২ কার্যদিবসে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব বেড়েছে ৩ হাজার ১৬টি। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব বেড়েছে ২৫১টির বেশি।

বিও হল শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য ব্রোকারেজ হাউস অথবা মার্চেন্ট ব্যাংকে একজন বিনিয়োগকারীর খোলা হিসাব।  এই বিও হিসাবের মাধ্যমেই বিনিয়োগকারীরা শেয়ারবাজারে লেনদেন করেন।  বিও হিসাব ছাড়া শেয়ারবাজারে লেনদেন করা সম্ভব না।  বিও হিসাবের তথ্য রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল)।

সিডিবিএল-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে (১৭ মার্চ পর্যন্ত) শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৫৩ হাজার ২৫২টি। যা ফেব্রয়ারি শেষে ছিল ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১১১টি। এ হিসেবে চলতি মার্চ মাসে শেয়ারবাজারে বিও হিসাব বেড়েছে ৩ হাজার ১৪১টি। অর্থাৎ, প্রতি কার্যদিবসে গড়ে বিও হিসাব বেড়েছে ২৬২টি।

এদিকে, বর্তমানে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের নামে বিও হিসাব আছে ৪৩ হাজার ১৯৭টি। যা ফেব্রুয়ারি মাস শেষে ছিল ৪৩ হাজার ১৪২টি।  অর্থাৎ, চলতি মাসে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব বেড়েছে ৫৫টি।

চলতি মাসে বাড়লেও দীর্ঘদিন ধরেই ধারাবাহিকভাবে দেশের শেয়ারবাজারে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীর সংখ্যা কমছিল। 

২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ধারাবাহিকভাবে শেয়ারবাজার ছাড়তে থাকেন। যা অব্যাহত থাকে চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেও।

২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের নামে বিও হিসাব ছিল ৫৫ হাজার ৫১২টি। সেখান থেকে ধারাবাহিকভাবে কমে চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি ৪৩ হাজার ১০১টিতে নেমে আসে। অর্থাৎ, বিদেশি ও প্রবাসীদের  বিও হিসাব ১২ হাজার ৪১১টি কমে যায়। এখন আবার তাদের ফিরতে দেখা যাচ্ছে। 

এরপরও ২০২৩ সালের তুলনায় এখনো দেশের শেয়ারবাজারে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব ১২ হাজার ৩২৫টি কম রয়েছে।

ভিওডি বাংলা/আরআর

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
মঙ্গলবার থেকে ব্যাংক বন্ধ
মঙ্গলবার থেকে ব্যাংক বন্ধ
পদত্যাগ করলেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান
পদত্যাগ করলেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান
ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণার নতুন নীতিমালা
ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণার নতুন নীতিমালা