গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান ফখরুলের

গণমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার (১১ মার্চ) বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিউনের ইফতার ও আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিএনপিকে গণমাধ্যমের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ফ্যাসিস্টদের মতো সাংবাদিকদের ওপর আর যেন চড়াও না হই, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। মুক্ত গণমাধ্যম সবার প্রত্যাশা।
বাংলাদেশকে উদারপন্থি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করার সুযোগ এসেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আগামীকাল ইতিহাস রচিত হতে যাচ্ছে। সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে সংসদ বসবে। এই সংসদকে সকল কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, গেল ১৭ বছরে অনেক সাংবাদিক নির্যাতিত হয়েছেন, হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন। এমন পরিস্থিতি যেন ভবিষ্যতে না হয়, সে বিষয়ে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
গণতান্ত্রিক চর্চাকে প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থায় রূপ দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, কোনো মব কালচার গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয় না। গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় গণমাধ্যমের শক্তিশালী ভূমিকা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার বলেন, জনগণ, রাজনৈতিক দল এবং গণমাধ্যম এই তিনের সমন্বয়েই দেশ এগিয়ে যাবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রী অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহিন, মহাসচিব কাদের গণী চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরিশদ আলম, সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই সিকদার, ডিইউজের সহ-সভাপতি রাশেদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ খানসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিকরা।
ভিওডি বাংলা/সবুজ/আ







