মাদারীপুর
হত্যার জেরে ৩০ বসতঘরে আগুন, পরিদর্শনে ডিআইজি

মাদারীপুরের পৌরসভার লক্ষিগঞ্জ 'নতুন মাদারীপুর' এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ওয়াইফাই ব্যবসায়ী আলমগীর হাওলাদারকে কুপিয়ে হত্যা এবং পরবর্তীতে প্রতিপক্ষের বসতঘর আগুনে পুড়ে যাওয়া পরিদর্শন করলেন ঢাকা রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে তিনি এসব এলাকা পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি ওই এলাকায় ঘুরে ঘুরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এবং অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস দেন।
ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে। জেলা প্রশাসনকেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ আর ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। এলাকায় শান্তি ফেরাতে পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে।
এছাড়া পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, আলমগীর হত্যা মামলায় ৮৬ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, অগ্নিকাণ্ড ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মাদারীপুর পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান আক্তার হাওলাদারকে আটক করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে 'নতুন মাদারীপুর' এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মনিরুজ্জামান আক্তার হাওলাদারের সঙ্গে হাসান মুন্সির বিরোধ চলছিল। এরই জেরে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে মনিরুজ্জামানের চাচাতো ভাই আলমগীর হাওলাদারকে প্রতিপক্ষের লোকজন কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্ন করে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিক্ষুব্ধ পক্ষ হাসান মুন্সির গ্রুপের অন্তত ৩০টি বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা বসতঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানোর পর আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে বেশ কিছু ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ভিওডি বাংলা/মহিবুল আহসান লিমন/আ







