কুমিল্লায় সৌদি উপহারের ২০ কার্টন খেজুরের হদিস নেই

সৌদি আরবের যুবরাজের মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ কেন্দ্র থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া খেজুরের মধ্যে কুমিল্লায় ২০ কার্টনের হদিস পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। সৌদি যুবরাজের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া খেজুরের মধ্যে কুমিল্লা জেলার জন্য ৫২০ কার্টন বরাদ্দ দেয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি যুবরাজের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে মোট ১২ হাজার ৫০০ কার্টন খেজুর উপহার হিসেবে পাঠানো হয়। গত ১ মার্চ এসব খেজুর জেলাভিত্তিক বণ্টনের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়। এর মধ্যে কুমিল্লা জেলার জন্য বরাদ্দ ছিল ৫২০ কার্টন খেজুর। এই তথ্য এখনো অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে।
গত ৮ মার্চ কুমিল্লা জেলার জন্য প্রাপ্ত খেজুর জেলার ১৭টি উপজেলায় বিতরণ করে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়। তবে বিতরণের তালিকা অনুযায়ী ১৭টি উপজেলায় মোট ৫০০ কার্টন খেজুর দেওয়া হয়েছে। এতে বাকি ২০ কার্টন খেজুরের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এটিকে তথ্যগত ভুল বলে দাবি করেছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবেদ আলী গণমাধ্যমকে বলেন, তাদের কাছে ৫০০ কার্টন খেজুর এসেছে এবং সেই অনুযায়ীই বিতরণ করা হয়েছে। পরে বরাদ্দের তথ্য সংশোধন করে ৫০০ কার্টন করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তালিকা সংশোধন করা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তালিকা সংশোধন করা হয়নি; বরাদ্দই ৫০০ কার্টন ছিল এবং সেটিই সংশোধন করা হয়েছে।
তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে কুমিল্লা জেলার জন্য ৫২০ কার্টন খেজুর বরাদ্দের তথ্যই দেখা যাচ্ছে।
এ বিষয়ে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলামকে ফোন করা হলেও তারা ফোন ধরেননি। ফলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারে নিজ এলাকার বিভিন্ন কার্যক্রমের হিসাব তুলে ধরেন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ওই বক্তব্যে দেবিদ্বার উপজেলায় ৩৯ কার্টন খেজুর পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন তিনি। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
ভিওডি বাংলা/আ







