• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্র উপদেষ্টার অজানা রাজনৈতিক পরিচয়

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১১ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৯ পি.এম.
মাহমুদুল হাসান আগে শেখ হাসিনার সঙ্গে পরিচিত ছিলেন; এখন জামায়াতে ইসলামীর আমিরের ঘনিষ্ঠ পররাষ্ট্র উপদেষ্টা-ছবি-ভিওডি বাংলা

বাংলাদেশে রাজনীতিতে ব্যক্তির পরিচয় ও অবস্থানের পরিবর্তন কোনো অজানা বিষয় নয়। সম্প্রতি মাহমুদুল হাসানের নাম উঠে এসেছে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর। রাজনৈতিক মহলে তার এই নতুন পরিচয় পূর্বের রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রেক্ষাপটে নতুন প্রশ্ন ও আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, ২০১২-২০১৩ সালে মাহমুদুল হাসান  (এআইইউবি)-তে এমবিএ প্রোগ্রামে শিক্ষকতা করতেন। সে সময় তিনি একজন শিক্ষাবিদ ও উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি পিএপি ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপের কর্ণধার। একই সময়ে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু তার প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত ছিলেন। এছাড়া মাহমুদুল হাসান নিজেও বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করতেন যে, তার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল।

তিনি মুজিববর্ষ উপলক্ষে কিছু প্রকল্পের টেন্ডারও পেয়েছিলেন, যা তাকে তখনকার ক্ষমতাসীন মহলের কাছে ঘনিষ্ঠ হিসেবে দেখানোর একটি কারণ ছিল। এই প্রেক্ষাপট তাকে আগে রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে একটি পরিচিত নাম হিসেবে তৈরি করেছিল।

কিন্তু রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলালে ব্যক্তির অবস্থানও পরিবর্তিত হতে পারে। বর্তমানে মাহমুদুল হাসান জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এবং তার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে মন্ত্রী পদমর্যাদার সরকারি দায়িত্ব চাওয়ার জন্য পাঠানো একটি চিঠি বিষয়টিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। এতে ব্যক্তিগত উদ্যোগ, রাজনৈতিক পরিচয় এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের সীমারেখা কোথায় থাকা উচিত-সেটি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

রাজনীতির বাস্তবতায় ব্যক্তির অবস্থান পরিবর্তন স্বাভাবিক। তবে যখন জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ পদ বা দায়িত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আলোচনা তৈরি হয়, তখন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই সামনে আসে।

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
সরকারকে বিব্রত করে ক্ষমতার চিন্তা করলে উন্নয়ন সম্ভব নয়
মির্জা আব্বাস সরকারকে বিব্রত করে ক্ষমতার চিন্তা করলে উন্নয়ন সম্ভব নয়
ফ্যামিলি কার্ড অঙ্গীকার বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপ: ফারুক
ফ্যামিলি কার্ড অঙ্গীকার বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপ: ফারুক
সরকারকে সময় ও সমর্থন দেওয়ার আহ্বান দুদুর
সরকারকে সময় ও সমর্থন দেওয়ার আহ্বান দুদুর