৬ জাহাজ থেকে খালাস হচ্ছে জ্বালানি, আসছে ৪ জাহাজ

দেশজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বর্তমানে ৬টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আরও ৪টি জাহাজ বাংলাদেশের জলসীমায় অপেক্ষমাণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দরের হারবার অ্যান্ড মেরিন সদস্য কমডোর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ।
বুধবার (১১ মার্চ) এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।
কমডোর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ বলেন, এ পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি নিয়ে মোট ১৮টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৮টি জাহাজ ইতোমধ্যে খালাস কার্যক্রম শেষ করে বন্দর ত্যাগ করেছে। বর্তমানে বহির্নোঙরে থাকা ৬টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাসের কাজ চলছে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জাহাজগুলো থেকে দ্রুত জ্বালানি খালাসে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টায় খালাস কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)-এর কাছে বর্তমানে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। ফলে দেশে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এ ছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশের জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচলেও বর্তমানে কোনো বাধা নেই। পাইপলাইনে থাকা জাহাজগুলো নির্ধারিত সময়ে দেশে পৌঁছাতে পারলে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের কোনো সমস্যা হবে না বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
কমডোর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ আরও বলেন, সরকারের সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকেও জ্বালানিবাহী জাহাজ দ্রুত খালাসে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
তিনি জানান, কনটেইনার ডিপো ও লাইটারেজ জাহাজে ডিজেল সংকট এবং চাহিদা-সংক্রান্ত সব তথ্য বিপিসির কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলকে জানানো হয়েছে। এর ভিত্তিতে বিপিসি বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের পাশাপাশি পাইপলাইনে থাকা জাহাজগুলো দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নিয়েছে।
এদিকে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আরও ৪টি জাহাজ বর্তমানে বাংলাদেশের জলসীমায় অবস্থান করছে। এসব জাহাজে এলএনজি, এলপিজি, বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল এবং শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত কাঁচামাল রয়েছে।
ভিওডি বাংলা/জা







