• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

ইরানে শাসক পরিবর্তনই সেরা সমাধান, বললেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২২ পি.এম.
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানে সম্ভাব্য শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটতে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্যে শিগগিরই “অসাধারণ ক্ষমতা” দেখা যাবে। এদিকে, ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে পেন্টাগন ওই অঞ্চলে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছে।

ওয়াশিংটন এবং তেহরানের দীর্ঘমেয়াদি পারমাণবিক বিতর্ক পুনরুজ্জীবিত করার প্রচেষ্টার মধ্যে ট্রাম্পের সামরিক হুঁশিয়ারি এসেছে।

সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার জেনেভায় ইরানের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মার্কিন কূটনীতিক স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার। বৈঠকে ওমানের প্রতিনিধি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। একই দিনে মার্কিন প্রতিনিধিরা রাশিয়া ও ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন ইউক্রেনে যুদ্ধ সমাপ্তির উদ্দেশ্যে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নে ট্রাম্প বলেছেন, “মনে হচ্ছে, এটাই সবচেয়ে ভালো বিষয়; যা ঘটতে পারে।” শাসন পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কারা দেশটি নিয়ন্ত্রণ করবে জানতে চাইলে তিনি উত্তর দেন, “লোকজন আছে।”

নর্থ ক্যারোলিনায় সামরিক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “৪৭ বছর ধরে তারা শুধু কথা বলছে। আমরা অনেক জীবন হারিয়েছি; মানুষ পা, হাত, মুখও হারিয়েছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে এগোচ্ছি।”

মার্কিন প্রশাসন চায় পারমাণবিক আলোচনায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সহায়তা, এবং সরকারের দমন-পীড়নের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে। ইরান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রস্তুত থাকলেও, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আলোচনায় আনার প্রস্তাবে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি কোনো চুক্তি না হয়, ইরানের ওপর হামলা চালানো সম্ভব। তেহরানও পাল্টা হামলার হুমকি দেওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে বড় যুদ্ধে উত্তাপ বেড়েছে। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একযোগে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার ওপর হামলা চালায়।

ট্রাম্প বলেন, “পারমাণবিক স্থাপনাতে যা বাকি আছে তা কেবল ‘ধুলোবালু’। হামলা চালালে এটি মিশনের সবচেয়ে ছোট অংশ হবে, তবে ইরানের হাতে যা বাকি আছে সব ধ্বংস করা হবে।”

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিমানবাহী রণতরী জেরাল্ড আর. ফোর্ডকে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করতে কিছু সময় লাগবে। এটি যোগ দেবে ইতিমধ্যেই সেখানে থাকা ইউএসএস আব্রাহাম লিনকনের সঙ্গে। রণতরীর সঙ্গে থাকবে গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, যুদ্ধবিমান এবং নজরদারি বিমান। জেরাল্ড আর. ফোর্ড সম্প্রতি কারিবীয় অঞ্চলে এবং ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযানে অংশ নিয়েছিল।

শুক্রবার সকালের বক্তব্যে ট্রাম্প বলেছেন, “যদি চুক্তি না হয়, আমাদের এটি প্রয়োজন… দরকার হলে আমরা প্রস্তুত রাখব।” নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রণতরীটি মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে অন্তত এক সপ্তাহ সময় লাগবে।

সূত্র: রয়টার্স

ভিওডি বাংলা/এমএস  

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
মধ্যপ্রাচ্যে আরও বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্যে আরও বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
জ্বালানি ভর্তি জাহাজের সঙ্গে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের সংঘর্ষ
জ্বালানি ভর্তি জাহাজের সঙ্গে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের সংঘর্ষ
তারেক ভাইকে অভিনন্দন
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: তারেক ভাইকে অভিনন্দন