তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে যাদের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর বাংলাদেশে এককভাবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান খুব শিগগিরই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
সূত্র জানিয়েছে, সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) শপথ অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ ও আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি সংসদ সচিবালয়ে সম্পন্ন হবে।
বিএনপির নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, নতুন মন্ত্রিসভা হবে নবীন ও প্রবীণ নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত। এতে থাকবেন পরীক্ষিত, ত্যাগী ও মেধাবী রাজনীতিকদের পাশাপাশি তরুণ মুখ। কিছু মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর ক্ষেত্রে টেকনোক্র্যাট কোটাও ব্যবহার করা হতে পারে। মন্ত্রিসভার আকার সীমিত রাখা হবে; সম্ভাব্য সদস্যসংখ্যা ৩২–৪২ জনের মধ্যে।
সূত্রের বরাতে বলা হয়, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন। প্রবীণ নেতাদের মধ্যে যেমন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, বেগম সেলিমা রহমান, অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব নিতে পারেন। নজরুল ইসলাম খান ও বেগম সেলিমা রহমানকে টেকনোক্র্যাট কোটার মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।
টেকনোক্র্যাট কোটায় আরও থাকতে পারেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, হুমায়ুন কবীর, অধ্যাপক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, মাহদী আমিন, আমিনুল হক এবং ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। এছাড়া নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি, এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নওশাদ জমির, হাবিবুর রশীদ, শেখ রবিউল আলম, আসাদুল হাবিব দুলু, রকিবুল ইসলাম বকুল, মোহাম্মদ আলী আসগর লবি প্রভৃতি মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন।
মিত্র দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি ও নুরুল হক নুরও মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন। এছাড়া পরাজিত প্রার্থীদের মধ্য থেকেও টেকনোক্র্যাট কোটার মাধ্যমে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।
সংসদ সচিবালয় শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন করেছে। নির্বাচিত সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী–এর তত্ত্বাবধানে। স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার অনুপস্থিত থাকলে সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন শপথ গ্রহণ করাতে পারেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের দায়িত্বশীলরা জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বা জোটের নেতাকে (প্রধানমন্ত্রী) সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানাবেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম রাষ্ট্রপতির কাছে উপস্থাপন করবেন এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ দ্রুততম সময়ে শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করবে। প্রয়োজনীয় প্রটোকল, নিরাপত্তা, অতিথি সেবা ও সরকারি গাড়ির ব্যবস্থা ইতোমধ্যেই প্রস্তুত।
ভিওডি বাংলা/এমএস







