আ.লীগ না থাকায় নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হচ্ছে না: সিপিডি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অন্তর্ভুক্তিমূলক বলা কঠিন—এমন মূল্যায়ন দিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। একই সঙ্গে নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে ইতিবাচক দিক থাকলেও তা এখনও পর্যাপ্ত নয় বলেও মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ‘নির্বাচনী এলাকায় সবুজ টেকসই অর্থনীতির চালচিত্র ও প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
নির্বাচনকে কেন অন্তর্ভুক্তিমূলক মনে হচ্ছে না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে দেখা গেছে— পতিত দলটির ভোটই হচ্ছে ডিসিসিভ ফ্যাক্টর। এটা দিয়ে বুঝা যায়, একটা বড় অংশের ভোটারকে তার চাহিদা মতো ভোট দেওয়া হচ্ছে না। সুতরাং আমাদের কাছে এই জায়গা থেকে মনে হয়, একটা বড় অংশের ভোটার তাদের ভোট দেবার ক্ষেত্রে প্রার্থী পছন্দের সুযোগ সেটা কিছুটা হলেও ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। সেটা আমাদের কাছে মনে হয়, অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনে ভোটারদের জায়গা থেকে কিছুটা হলে সেটা পূর্ণ হচ্ছে না।’
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ‘এবারের নির্বাচনী ইশতেহারে নতুনত্ব এনেছে রাজনৈতিক দলগুলো। রাস্তাঘাট বা অবকাঠামো উন্নয়নের গৎ বাঁধা প্রতিশ্রুতি থেকে বেরিয়ে এসেছে। তারা সামাজিক উন্নয়নের দিকে নজর দিয়েছে। তবে তাও যথেষ্ট নয়।’
নির্বাচন ও গণভোট প্রসঙ্গে সিপিডির পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে অন্তর্ভুক্তিমূলক বলা যাচ্ছে না। গণভোটের ফলাফলের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনী ইশতেহারে নানা উদ্যোগের প্রতিশ্রুতি থাকলেও সেগুলোর বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থের উৎস কোথা থেকে আসবে—সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা নেই।
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রসঙ্গে সিপিডি নতুন করে ব্যাংক অনুমোদনের পরিবর্তে দুর্বল ব্যাংকগুলো বন্ধ করার সুযোগ রয়েছে বলে মত দেয়। এ বিষয়ে নতুন সরকারকে বিশেষভাবে নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
ভিওডি বাংলা/এমএস







