• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

মাদক ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা ইশরাকের

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৩ পি.এম.
বক্তব্য রাখছেন ঢাকা–৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। ছবি: ভিওডি বাংলা

মাদকের  বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা–৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। নির্বাচিত হলে তাঁর আসনে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অবৈধ দখলের কোনো সুযোগ থাকবে না বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওয়ারির রবিদাস পাড়া রেংগস অনামিকা ও রবিদাস পাড়া এপার্টমেন্ট ল্যান্ড অর্নারদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশকে ধ্বংস করার জন্য মাদক দেশের রন্ধে রন্ধে ঢোকানো হয়েছে মন্তব্য করে ইশরাক হোসেন বলেন, সীমান্ত দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাদক প্রবেশ করিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, বিশেষ করে ছাত্র ও যুব সমাজকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।

তিনি বলেন, অতীত সরকারের সময়ে একজন মাদক গডফাদারকে সংসদে পাঠানো হয়েছিল। পরে বিতর্কের মুখে তাঁকে বাদ দিয়ে তাঁর স্ত্রীকে সংসদে পাঠানো হয়। তিনি মনে করেন, ছাত্র ও যুব সমাজকে ধ্বংস করা গেলে একটি জাতিকে পিছিয়ে দেওয়া যায় এবং সেটিই একটি দাস রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য যথেষ্ট। আর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সেই চেষ্টাই চালানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ওপর আধিপত্যবাদী শক্তির একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে। এ বিষয়ে তাঁর অবস্থান জিরো টলারেন্স। সুযোগ পেলে স্থানীয়ভাবে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকের স্পটগুলো নিজে দাঁড়িয়ে বন্ধ করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার কথা জানান তিনি।

ইশরাক হোসেন বলেন, তাঁর নির্বাচনী এলাকায় কোনো ধরনের মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, অস্ত্রবাজি কিংবা অন্য কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া হবে না। যতদিন তিনি জীবিত থাকবেন, ততদিন এসব অপরাধের কোনো সুযোগ থাকবে না বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

এ সময় তিনি সড়ক ও ফুটপাথে অবৈধ স্থাপনার বিষয়টি তুলে ধরেন। বলেন, রাস্তা ও ফুটপাত সরকারি সম্পত্তি। পরিচয় যাই হোক না কেন, সেখানে অবৈধভাবে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা যায় না। এসব অবৈধ স্থাপনার কারণে যানজট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে এবং এলাকার পরিবেশ বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আমি সুযোগ পেলে এগুলোর একটা ব্যবস্থা করব।

ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেন, তিনি আগে কখনো রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বা জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি। তাই তিনি জনগণের কাছে একটি সুযোগ চাইছেন। সুযোগ পেলে একজন জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে জনগণ যে প্রত্যাশা করে, তা সর্বোচ্চভাবে পূরণ করার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, এলাকার মুরুব্বিদের পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা নিয়ে নাগরিক সমস্যাগুলো সমাধানে কাজ করা হবে। দীর্ঘদিন অবহেলিত এই অঞ্চলকে বাসযোগ্য করে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ৬ বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইশরাক হোসেন এর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজ্জামেল হক মুক্তাসহ প্রমুখ।

ভিওডি বাংলা/ সবুজ/ আরিফ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
বিএনপির ইশতেহারে বাংলাদেশে নতুন সূর্যোদয় হবে: মির্জা ফখরুল
বিএনপির ইশতেহারে বাংলাদেশে নতুন সূর্যোদয় হবে: মির্জা ফখরুল
ভোটারদের হাতেই বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ
হাবিবুর রশিদ ভোটারদের হাতেই বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ
ঢাকার ভোট কখনো কেনা যায় না, ১২ তারিখ প্রমাণ হবে
আবদুস সালাম ঢাকার ভোট কখনো কেনা যায় না, ১২ তারিখ প্রমাণ হবে