• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

হাইকোর্টের নির্দেশ: অবসরভাতা ৬ মাসে প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৪:৫৭ পি.এম.
প্রতীকী ছবি

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত ৫ লাখের বেশি শিক্ষক ও কর্মচারীকে অবসরের ছয় মাসের মধ্যে অবসরকালীন সুবিধা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজি জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ ১৩ পৃষ্ঠার রায় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেন। রিটকারীদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সিদ্দিক উল্যাহ মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

হাইকোর্ট রায়ে উল্লেখ করেছে, শিক্ষকরা অবসরকালীন সুবিধা পেতে বছরের পর বছর ঘুরতে হয়, যা অন্যায়। একজন প্রাথমিক শিক্ষক কত বেতন পান তা বিবেচনা করে তাদের অবসরভাতা ৬ মাসের মধ্যে প্রদান করতে হবে। আদালত বলেন, শিক্ষকরা বছরের পর বছর দ্বারে দ্বারে ঘুরতে পারবেন না।

রিটকারীর আইনজীবী সিদ্দিক উল্যাহ মিয়া বলেন, ২০১৯ সালে একটি রিট দায়ের করা হয়েছিল। রিটে বলা হয়েছিল, ২০১৭ সাল পর্যন্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন থেকে ৬ শতাংশ কেটে নেওয়া হতো, যা পরে অবসরকালীন সুবিধার সঙ্গে প্রদান করা হতো। ২০১৭ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ১০ শতাংশ কেটে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া হয়নি। এ কারণে রিট দায়ের করা হয়।

হাইকোর্ট রায়ে নির্দেশ দিয়েছে, অতিরিক্ত কাটা অর্থের বিনিময়ে শিক্ষক ও কর্মচারীদের যথাযথ আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে এবং অবসরভাতা ছয় মাসের মধ্যে প্রদান করতে হবে।

মূল বেতনের নির্দিষ্ট অংশ কেটে শিক্ষক ও কর্মচারীদের আর্থিক সুবিধা প্রদানের নিয়মগুলো (বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট প্রবিধানমালা, ১৯৯৯ এবং অবসর সুবিধা প্রবিধানমালা, ২০০৫) ২০১৭ সালে সংশোধিত হয়। তবে অতিরিক্ত অর্থ কর্তনের পরও কোনো বাড়তি সুবিধা নিশ্চিত করা হয়নি। ২০১৯ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করেও বিষয়টি সমাধান হয়নি, যার ফলে শিক্ষক ও কর্মচারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে হাইকোর্টে রিট করেন।

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
যেকোনো দিন রায় আসছে আবু সাঈদ হত্যা মামলায়
যেকোনো দিন রায় আসছে আবু সাঈদ হত্যা মামলায়
চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থিতা ফিরে পেলেন
সরোয়ার আলমগীর: চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থিতা ফিরে পেলেন
১০১ সংগঠনের কঠোর প্রতিবাদ, পুনর্বিবেচনার দাবি
চানখাঁরপুল হত্যাকাণ্ডের রায় প্রত্যাখ্যান: ১০১ সংগঠনের কঠোর প্রতিবাদ, পুনর্বিবেচনার দাবি